কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যার সমাধান তৈরিতে তরুণদের দক্ষ করে তুলতে বিশেষ বুটক্যাম্প আয়োজন করেছে গ্রামীণফোন একাডেমি। এ প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ৮০ জন নির্বাচিত তরুণ উদ্ভাবক নিজেদের ধারণাকে এআই-নির্ভর ডিজিটাল সেবায় রূপ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
গ্রামীণফোনের অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্মটির আয়োজনে বুটক্যাম্পের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউসে। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন। সেরা তিনটি দলকে এ সময় সম্মাননা দেওয়া হয়।
প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে ‘ট্রেজেক্টরি’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম। এটি ব্যবহারকারীর দক্ষতা ও জীবনবৃত্তান্ত বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত ক্যারিয়ার পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের সুপারিশ দিতে পারে।
দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে ‘মাইজিপি কেয়ার’। এআই প্রযুক্তিনির্ভর এই প্ল্যাটফর্মটি স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন’ নামের উদ্যোগটি জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারকারীদের যোগাযোগ বজায় রাখা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে তৈরি।
বিজয়ী তিন দলের সদস্যরা এক বছরের জন্য বিনা মূল্যে প্রিমিয়াম এআই টুল ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তাঁদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোকে আরও কার্যকর ও বাস্তবসম্মত করে তুলতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, এআই মানুষের শেখা ও কাজ করার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনছে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে। এ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে তরুণদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির পাশাপাশি নতুন উদ্ভাবনকে বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে ক্যারিয়ার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি যোগাযোগের মতো ক্ষেত্রে এআইভিত্তিক সমাধান তরুণ উদ্যোক্তাদের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করার সুযোগ দিচ্ছে।









০ টি মন্তব্য