https://powerinai.com/

সাম্প্রতিক খবর

ফোনের ক্যামেরা হ্যাক হয়েছে কি না শনাক্ত করার ৫ উপায়

ফোনের ক্যামেরা হ্যাক হয়েছে কি না শনাক্ত করার ৫ উপায় ফোনের ক্যামেরা হ্যাক হয়েছে কি না শনাক্ত করার ৫ উপায়
 

স্মার্টফোনের ক্যামেরা এখন শুধু ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; ভিডিও কল, অনলাইন মিটিংসহ বিভিন্ন কাজেও এটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। তবে এই সুবিধাজনক প্রযুক্তিই কখনো কখনো সাইবার অপরাধীদের নজরদারির হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। ফোনের ক্যামেরা হ্যাক করে ব্যবহারকারীর অজান্তে ছবি বা ভিডিও সংগ্রহের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।

একবার কোনো সাইবার অপরাধী ফোনের ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ পেয়ে গেলে দূর থেকেই গোপনে ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে পারে। পরে সেগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করে ব্ল্যাকমেইল, পরিচয় জালিয়াতি কিংবা অন্যান্য সাইবার অপরাধে ব্যবহার করা হতে পারে। ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ে।

যেভাবে হ্যাক হয় স্মার্টফোনের ক্যামেরা

সাধারণত ম্যালওয়্যার বা স্পাইওয়্যার ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার ফোনে প্রবেশ করিয়ে ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। এসব সফটওয়্যার গোপনে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর অজান্তেই ফোনের বিভিন্ন ফিচারে প্রবেশাধিকার পেতে পারে।

অনেক সময় ব্যবহারকারীরা যে অ্যাপগুলোকে ক্যামেরা ব্যবহারের অনুমতি দেন, সেগুলোর মধ্যেই ক্ষতিকর কোড লুকিয়ে থাকে। অ্যাপ ইনস্টলের সময় ক্যামেরার অনুমতি পাওয়ার পর সেগুলো গোপনে ছবি বা ভিডিও ধারণ করে দূরের সার্ভারে পাঠাতে পারে।

ক্যামেরা ব্যবহার করে কি সরাসরি নজরদারি সম্ভব?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনে ক্ষতিকর সফটওয়্যার ইনস্টল হয়ে ক্যামেরার অনুমতি পেলে দূর থেকে নজরদারি চালানো সম্ভব। তবে কোনো ধরনের ম্যালওয়্যার বা প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া ফোনের ক্যামেরা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।

ক্যামেরা গোপনে চালু থাকার সম্ভাব্য লক্ষণ

ফোনের ক্যামেরা যদি ব্যবহারকারীর অজান্তে সক্রিয় থাকে, তাহলে কিছু অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যেতে পারে। যদিও এসব লক্ষণ সব সময় হ্যাকিংয়ের কারণে নাও হতে পারে, তবু বারবার ঘটলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

১. ফোন ব্যবহার না করলেও ক্যামেরার নির্দেশক আলো হঠাৎ জ্বলে ওঠা।

২. ক্যামেরা অ্যাপ নিজে থেকেই বারবার চালু বা বন্ধ হয়ে যাওয়া।

৩. গ্যালারিতে অচেনা ছবি বা ভিডিও খুঁজে পাওয়া।

৪. স্বাভাবিকের তুলনায় ফোন বেশি গরম হয়ে যাওয়া বা দ্রুত ব্যাটারি শেষ হওয়া।

৫. কোনো কারণ ছাড়াই মোবাইল ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, অজানা উৎসের অ্যাপ ইনস্টল না করা, নিয়মিত অ্যাপের অনুমতি যাচাই করা এবং ফোনের সফটওয়্যার আপডেট রাখা হলে এ ধরনের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

সূত্র: ক্যাসপারস্কি








০ টি মন্তব্য



মতামত দিন

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার মতামতটি দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।







পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? পুনরায় রিসেট করুন






রিভিউ

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার রিভিউ দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।