https://powerinai.com/

সাম্প্রতিক খবর

ChatGPT-এর ১৯৮০ দশকের ছবি তৈরির ট্রেন্ডে বিশ্বজুড়ে

ChatGPT-এর ১৯৮০ দশকের ছবি তৈরির ট্রেন্ডে বিশ্বজুড়ে ChatGPT-এর ১৯৮০ দশকের ছবি তৈরির ট্রেন্ডে বিশ্বজুড়ে
 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নিজের বর্তমান ছবিকে ১৯৮০-এর দশকের পুরোনো ফটোগ্রাফের মতো রূপান্তর করার একটি ট্রেন্ড সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ChatGPT ব্যবহার করে তৈরি করা এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে বড় চুলের স্টাইল, পুরোনো দিনের পোশাক, রঙিন স্টুডিও ব্যাকগ্রাউন্ড, উষ্ণ আলো এবং অ্যানালগ ক্যামেরায় তোলা ছবির মতো দানাদার টেক্সচার। ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবহারকারীরা নিজেদের ছবি তৈরি করে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। তবে এই নির্দিষ্ট ট্রেন্ডে পৃথিবীজুড়ে মোট কতজন মানুষ অংশ নিয়েছেন, তার কোনো নিশ্চিত বৈশ্বিক হিসাব এখনো প্রকাশিত হয়নি।

এই জনপ্রিয়তার সময় OpenAI তাদের ছবি তৈরির প্রযুক্তিতে নতুন সংস্করণ ChatGPT Images 2.5 উন্মুক্ত করে। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত ঘোষণায় প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন সংস্করণে ছবির সূক্ষ্ম বিবরণ, আলোর স্বাভাবিকতা, রেফারেন্স ছবির সঙ্গে মুখের বৈশিষ্ট্যের সামঞ্জস্য এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশনা অনুযায়ী ছবি সম্পাদনার সক্ষমতা উন্নত করা হয়েছে। আগের Images 2.0-এর তুলনায় ছবি তৈরির সময় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর কথাও জানিয়েছে OpenAI। নতুন সংস্করণটি ChatGPT-এর বিভিন্ন ব্যবহারকারী স্তরে ওয়েব, ডেস্কটপ ও মোবাইলে চালু করা হয়। তবে ১৯৮০-এর দশকের ছবি তৈরির ট্রেন্ডটি কোনো স্বতন্ত্র মডেল নয়; এটি উন্নত ছবি তৈরির প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি একটি জনপ্রিয় সৃজনশীল প্রবণতা।

মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ে কী জানা গেছে

OpenAI-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ChatGPT Images এবং API-এর GPT-Image মডেল ব্যবহার করে প্রতি সপ্তাহে তিন বিলিয়নের বেশি ছবি তৈরি করা হয়। এই পরিসংখ্যান ছবি তৈরির সামগ্রিক কার্যক্রমের হিসাব। এর মধ্যে বিজ্ঞাপন, পণ্যের ছবি, পোস্টার, নকশা, ব্যক্তিগত প্রতিকৃতি এবং বিভিন্ন ধরনের সম্পাদিত ছবি থাকতে পারে। ফলে এই সংখ্যা দিয়ে ১৯৮০-এর দশকের ছবির ট্রেন্ডে কতজন অংশ নিয়েছেন, তা নির্ধারণ করা যায় না। একই ব্যক্তি একাধিক ছবি তৈরি করতে পারেন, আবার একটি ছবিও একাধিকবার সম্পাদনা করা হতে পারে। তাই তৈরি হওয়া ছবির সংখ্যা এবং স্বতন্ত্র ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক নয়।

এই নির্দিষ্ট ট্রেন্ডে কতটি ছবি তৈরি হয়েছে, কতটি ChatGPT অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা কতজন নতুন ব্যবহারকারী শুধু এই প্রবণতার কারণে অ্যাপটি ডাউনলোড করেছেন—এসব বিষয়ে OpenAI-এর কোনো যাচাইকৃত পৃথক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। ফলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা কোটি বা কয়েক কোটি বলে উল্লেখ করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই।

ভারতে জনপ্রিয়তার প্রমাণ

ট্রেন্ডটির জনপ্রিয়তা সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট কিছু তথ্য পাওয়া গেছে ভারতে। The Financial Express-এর ১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে Google Trends-এর তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়, ১০ সেপ্টেম্বর ‘ChatGPT download’ অনুসন্ধানটি সর্বোচ্চ আপেক্ষিক আগ্রহের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। একই সময়ে ‘1980s AI photo prompt ChatGPT’ অনুসন্ধানে ৭০০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ‘Prompt seen ChatGPT’ অনুসন্ধানে ৫০০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এই পরিসংখ্যানগুলো মানুষের আগ্রহের দ্রুত বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। তবে Google Trends-এর শতকরা পরিবর্তন বা ১০০ স্কোর সরাসরি ব্যবহারকারীর সংখ্যা বোঝায় না। এগুলো নির্দিষ্ট সময় ও অঞ্চলে অনুসন্ধানের তুলনামূলক জনপ্রিয়তা প্রকাশ করে। তাই এসব তথ্য দিয়ে ভারতে ঠিক কতজন মানুষ ছবি তৈরি করেছেন, তা হিসাব করা সম্ভব নয়।

ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নির্মাতা, বিনোদনজগতের পরিচিত ব্যক্তি এবং রাজনীতিবিদদের মধ্যেও ট্রেন্ডটি ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবহারকারীরা নিজেদের ছবিতে পুরোনো বলিউডের পোশাক, শাড়ি, ধুতি, বড় চুল, পুরোনো গাড়ি এবং স্টুডিও ফটোগ্রাফির নান্দনিকতা যুক্ত করেছেন। ব্যক্তিগত ছবি সহজে তৈরি করে শেয়ার করার সুযোগ ট্রেন্ডটির বিস্তারে ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশেও ছড়িয়েছে AI ছবির ঢেউ

বাংলাদেশে ট্রেন্ডটির বিস্তারের বিষয়টি bdnews24.com-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এবং ১৬ সেপ্টেম্বর হালনাগাদ করা প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে মানুষ নিজেদের ১৯৮০-এর দশকের আদলে তৈরি ছবি শেয়ার করছিলেন। ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমসহ পরিচিত ব্যক্তিদের পোস্টও আলোচনায় আসে। অভিনেতা ও কনটেন্ট নির্মাতাদের পাশাপাশি সাধারণ ব্যবহারকারীরাও এই প্রবণতায় যুক্ত হন।

বাংলাদেশে ট্রেন্ডটি জনপ্রিয় হওয়ার একটি কারণ হতে পারে ছবি তৈরির সহজ পদ্ধতি। ব্যবহারকারীকে জটিল গ্রাফিক ডিজাইন সফটওয়্যার শেখার প্রয়োজন হয় না। নিজের একটি ছবি আপলোড করে কী ধরনের পোশাক, চুলের স্টাইল, আলো এবং পটভূমি চান, তা লিখলেই এআই একটি নতুন ছবি তৈরি করতে পারে। পরে নির্দেশনা দিয়ে ছবির বিভিন্ন অংশ পরিবর্তন করা যায়। ফলে শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী, বিনোদনকর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিয়মিত ব্যবহারকারীদের জন্য এটি সহজে অংশ নেওয়ার মতো একটি কার্যক্রম হয়ে ওঠে।

তবে বাংলাদেশে ঠিক কতজন ব্যবহারকারী এই ফিচার ব্যবহার করেছেন, কতটি ছবি তৈরি হয়েছে কিংবা দেশের কোন শহরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। সামাজিক মাধ্যমে অনেক ছবি দেখা যাওয়া জনপ্রিয়তার প্রমাণ হতে পারে, কিন্তু তা থেকে মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা নির্ণয় করা যায় না।

আর কোন কোন দেশে জনপ্রিয় হয়েছে?

উপলব্ধ সংবাদ ও প্রকাশ্য তথ্য থেকে ভারত ও বাংলাদেশের পাশাপাশি ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলে ট্রেন্ডটি নিয়ে আগ্রহের প্রমাণ পাওয়া যায়। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম Exame ৮ সেপ্টেম্বর জানায়, ‘আমি ১৯৮০-এর দশকে দেখতে কেমন হতাম’—এ ধরনের প্রবণতা ChatGPT-তে ছবি তৈরির চাহিদা বাড়িয়েছে এবং অতিরিক্ত অনুরোধের সময় সেবায় অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছিল বলে ChatGPT Images-এর প্রধান Adele Li এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছিলেন।

The Creators Index-এর একটি প্রতিবেদনে ট্রেন্ডটির প্রাথমিক বিস্তার ব্রাজিলের Instagram Stories-এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তবে এই ট্রেন্ডের একক কোনো উদ্ভাবক বা নির্দিষ্ট সূচনাকারীকে নির্ভরযোগ্যভাবে চিহ্নিত করা যায়নি। অন্যদিকে, Oman Observer-এর প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে ওমানেও এ ধরনের ছবির জনপ্রিয়তার কথা তুলে ধরে।

এগুলো বিভিন্ন দেশে ট্রেন্ডটির উপস্থিতি ও আগ্রহের প্রমাণ। তবে প্রতিটি দেশে কতজন মানুষ ChatGPT ব্যবহার করে ছবি তৈরি করেছেন, তার সমন্বিত তালিকা নয়। একইভাবে ভারত, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ওমানে আগ্রহ দেখা গেলেও কোন দেশ ব্যবহারকারীর সংখ্যার বিচারে প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয়—এমন নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়নি।

কেন এত জনপ্রিয় হলো এই ট্রেন্ড?

এই প্রবণতার জনপ্রিয়তার পেছনে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা, ব্যক্তিগত পরিচয়ের সঙ্গে আবেগের সংযোগ এবং সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করার প্রবণতা কাজ করেছে বলে ধারণা করা যায়। পুরোনো ছবির নান্দনিকতা অনেকের কাছে স্মৃতি, পরিবার, শৈশব কিংবা অতীতের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। যাঁরা ১৯৮০-এর দশকে জন্মাননি, তাঁরাও কল্পনা করতে পারেন সেই সময়ে তাঁদের চেহারা বা জীবনযাপন কেমন হতে পারত।

এআই এখানে সাধারণ ফিল্টারের চেয়ে বেশি কিছু করতে পারে। এটি শুধু রং বদলায় না; নির্দেশনা অনুযায়ী পোশাক, চুল, আলো, পটভূমি এবং ছবির সামগ্রিক বিন্যাসও পরিবর্তন করতে পারে। ফলে তৈরি ছবিটি পুরোনো সময়ের স্টুডিও ফটোগ্রাফের মতো দেখাতে পারে। এরপর ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হলে অন্যরাও একই ধরনের ছবি তৈরির চেষ্টা করেন। এভাবেই একটি সৃজনশীল ধারণা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তবে এই ছবিগুলো প্রকৃত ঐতিহাসিক ছবি নয়। এগুলো বর্তমানের ছবি ও এআইয়ের তৈরি দৃশ্যের সমন্বয়ে তৈরি নতুন চিত্র। তাই বিশেষ করে পরিচিত ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি শেয়ার করার ক্ষেত্রে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি—এ তথ্য স্পষ্ট করে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

প্রযুক্তি কোম্পানির জন্য এর গুরুত্ব

এই প্রবণতা দেখিয়েছে, মানুষ শুধু প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য নয়, ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল কাজের জন্যও এআই ব্যবহার করতে আগ্রহী। একটি সহজে বোঝা যায় এমন ছবি তৈরির অভিজ্ঞতা নতুন ব্যবহারকারীকে প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করতে পারে। তবে ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তা মানেই দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বা আয় একই হারে বাড়বে, এমন নয়।

OpenAI-এর Images 2.5 ঘোষণায় ছবির গুণমান ও সম্পাদনার উন্নতির পাশাপাশি তৈরি করা ছবির নির্দেশনা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগের কথাও বলা হয়েছে। এতে একটি জনপ্রিয় প্রম্পট অন্য ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে পারে এবং একই ধারণার নতুন সংস্করণ তৈরি করা সহজ হয়। তবে এই সুবিধা চালুর সঙ্গে ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তার সম্পর্ক থাকলেও, ট্রেন্ডটির সব ব্যবহারকারী Images 2.5-ই ব্যবহার করেছেন—এমন দাবি করার মতো তথ্য নেই।

গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ

নিজের মুখের ছবি কোনো এআই সেবায় আপলোড করার আগে ব্যবহারকারীর উচিত সংশ্লিষ্ট সেবার গোপনীয়তা নীতি সম্পর্কে জানা। ব্যক্তিগত ছবি, বিশেষ করে শিশুদের ছবি বা পরিচয় শনাক্ত করা যায় এমন ছবি, কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে—এ বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সামাজিক মাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি ছবি প্রকাশের আগে ছবিটি বিভ্রান্তিকরভাবে ব্যবহৃত হতে পারে কি না, সেটিও বিবেচনা করা উচিত।

সব মিলিয়ে, ১৯৮০-এর দশকের ছবি তৈরির ভাইরাল প্রবণতা এআই প্রযুক্তির সৃজনশীল ব্যবহারকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও পরিচিত করেছে। ভারত ও বাংলাদেশে এর বিস্তার এবং বিভিন্ন অঞ্চলে আগ্রহের প্রমাণ পাওয়া গেলেও, এই নির্দিষ্ট ফিচারটি মোট কতজন ব্যবহার করেছেন, কোন দেশে কতজন ব্যবহার করেছেন কিংবা মোট কতটি রেট্রো ছবি তৈরি হয়েছে—তার নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক হিসাব এখনো প্রকাশিত হয়নি। তাই এ ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে প্রকাশ্য অনুসন্ধান-তথ্য ও সংবাদসূত্র ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু নিশ্চিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা হিসেবে অনুমানভিত্তিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা উচিত নয়।








০ টি মন্তব্য



মতামত দিন

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার মতামতটি দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।







পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? পুনরায় রিসেট করুন






রিভিউ

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার রিভিউ দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।