https://powerinai.com/

সাম্প্রতিক খবর

কমিউনিটি রেডিও সম্প্রচারের আইনি স্বীকৃতির পথে দুই দশকের অগ্রযাত্রা: ডিজিটাল গ্রহণ ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে সমষ্টিগত ক্ষমতায়ন

কমিউনিটি রেডিও সম্প্রচারের আইনি স্বীকৃতির পথে দুই দশকের অগ্রযাত্রা: ডিজিটাল গ্রহণ ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে সমষ্টিগত ক্ষমতায়ন কমিউনিটি রেডিও সম্প্রচারের আইনি স্বীকৃতির পথে দুই দশকের অগ্রযাত্রা: ডিজিটাল গ্রহণ ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে সমষ্টিগত ক্ষমতায়ন
 

গত দুই দশকে কমিউনিটি রেডিওর আইনি স্বীকৃতির আন্দোলন প্রান্তিক দাবি থেকে মূলধারার নীতি ও আইনগত কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে। অনেক দেশ এখন সম্প্রচারের একটি আলাদা “তৃতীয় স্তর” হিসেবে কমিউনিটি রেডিওকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং কমিউনিটি-নিয়ন্ত্রিত ও কমিউনিটি-মালিকানাধীন স্টেশনগুলোকে লাইসেন্স প্রদান করছে। এ ধরনের অগ্রগতি স্থানীয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তবে আইনি স্বীকৃতি কেবল যাত্রার সূচনা মাত্র। এই স্বীকৃতিকে মানুষের দৈনন্দিন তথ্যজীবনে বাস্তব প্রভাব ও ক্ষমতায় রূপান্তর করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। কমিউনিটি রেডিওর জন্য আইনি মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হলেও সামগ্রিক যোগাযোগপরিবেশ দ্রুত বদলে গেছে—ডিজিটাল প্রযুক্তি, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও তথ্য-নির্ভর ব্যবসায়িক মডেল সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর থাকতে কমিউনিটি সম্প্রচারকদের জন্য এখন অর্থবহ ডিজিটাল গ্রহণ ও উদ্ভাবন আর ঐচ্ছিক নয়, বরং অপরিহার্য শর্ত; অন্যথায় আইনি স্বীকৃতি থাকা সত্ত্বেও তথ্যপরিসরে তারা প্রান্তিক ভূমিকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

আইনি স্বীকৃতি: টেকসই বিকাশের ভিত্তি

গত দুই দশকের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করলে কমিউনিটি রেডিওকে ঘিরে আইন ও নীতিমালার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান:

স্পষ্ট সংজ্ঞা ও স্বীকৃতি:

জাতীয় আইন ও নীতিমালায় কমিউনিটি রেডিওকে পৃথক সম্প্রচার স্তর হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

লাইসেন্স কাঠামোর স্বচ্ছতা:

লাইসেন্স কাঠামোর স্বচ্ছতা:

লাইসেন্সের ধরন, শর্ত ও প্রক্রিয়া আরও সুস্পষ্ট হওয়ায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টেশন—উভয় পক্ষের মধ্যেই ধারণা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি পেয়েছে।

পরিচালনা ও নেটওয়ার্ক গঠনে স্বাধীনতা:

স্বচ্ছভাবে পরিচালনা, নেটওয়ার্ক গঠন, যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এ অগ্রগতিগুলো কমিউনিটি রেডিও স্টেশনগুলোর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব, পরিকল্পিত সম্প্রসারণ ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের জন্য অপরিহার্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। আইনি স্বীকৃতি একদিকে সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় কণ্ঠকে স্বীকৃতি ও সম্মান জানানোর ইঙ্গিত বহন করে, অন্যদিকে কমিউনিটির তথ্যঅধিকার, অংশগ্রহণ ও স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার সুযোগ সৃষ্টি করে।

তবে শুধুমাত্র আইনি মর্যাদা অর্জন করলেই প্রভাবশালী হওয়া যায় না। একটি স্টেশন আইনগতভাবে পরিচালিত হলেও—

অর্থনৈতিক সংকট,

রাজনৈতিক চাপ বা সেন্সরশিপের আশঙ্কা,

জনসংখ্যাগত ও সামাজিক পরিবর্তন

এর মতো কারণগুলো বাস্তব প্রভাব বিস্তারে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই আইনি স্বীকৃতিকে চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়, বরং উপযোগী নীতি, অর্থায়ন, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি–অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গঠনের একটি কার্যকর ধাপ হিসেবে দেখতে হবে।

ডিজিটাল রূপান্তর: কমিউনিটির নতুন মিলনমঞ্চ

নীতিগত অগ্রগতির পাশাপাশি মানুষের মিডিয়া ব্যবহারের অভ্যাসও দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছে। স্মার্টফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেজিং অ্যাপ আজ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নাগরিকরা এখন—

খবর সংগ্রহ,

মতামত প্রকাশ,

কমিউনিটি–ভিত্তিক উদ্যোগ গঠন

সবকিছুই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরও দ্রুত ও সহজভাবে করতে পারছেন।

কমিউনিটি রেডিওর জন্য এই ডিজিটাল বাস্তবতা একই সঙ্গে সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ও অনলাইন বিদ্বেষপূর্ণ কন্টেন্টের বিস্তারের প্রেক্ষাপটে স্থানীয়, জবাবদিহিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য কণ্ঠের গুরুত্ব বহুগুণে বেড়েছে। এ বাস্তবতায় কমিউনিটি রেডিওকে কেবল অ্যানালগ সম্প্রচারকেন্দ্র হিসেবে নয়, বরং হাইব্রিড অ্যানালগ–ডিজিটাল কমিউনিকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে—যেখানে এফএম/অ্যানালগ সম্প্রচারের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া, পডকাস্ট, ওভার-দ্য-টপ (OTT) প্ল্যাটফর্ম এবং মেসেজিং অ্যাপসমূহকে কৌশলগতভাবে সংযুক্ত করা হবে।

অর্থবহ ডিজিটাল গ্রহণ: কেবল উপস্থিতি নয়, কৌশলগত রূপান্তর

ডিজিটাল গ্রহণের অর্থ কেবল একটি ফেসবুক পেজ খোলা বা অনলাইনে স্ট্রিমিং চালু করা নয়। বরং এটি একটি বিস্তৃত প্রক্রিয়া, যাতে কন্টেন্ট তৈরির প্রতিটি ধাপ, প্রচারের উপায় এবং শ্রোতার সঙ্গে সংলাপ–—এসব কিছু নতুনভাবে ভাবতে হয়। অর্থবহ ডিজিটাল গ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু অগ্রাধিকারমূলক কৌশল হতে পারে:

বহুমাধ্যমে কন্টেন্ট তৈরি:

সরাসরি সম্প্রচারের সঙ্গে পডকাস্ট, স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক ও ভিজ্যুয়াল স্টোরি যুক্ত করে বিভিন্ন বয়স, লিঙ্গ ও ভাষাগত গোষ্ঠীর জন্য উপযোগী কন্টেন্ট তৈরি;

দ্বিমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ:

এসএমএস, মেসেজিং অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে কমিউনিটির প্রশ্ন, অভিযোগ, প্রস্তাব ও গল্প সংগ্রহ করে সেগুলোকে অন–এয়ারে ও অনলাইনে নীতি–সংলাপের অংশে পরিণত করা;

যুব নেতৃত্ব ও ডিজিটাল কিউরেশন:

তরুণ–তরুণীদের প্রযোজনা, স্ক্রিপ্টিং, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনা ও ডেটা বিশ্লেষণে নেতৃত্বমূলক ভূমিকার সুযোগ দেওয়া, যাতে তারা নিজেদের কমিউনিটির তথ্যভিত্তিক ভবিষ্যৎ গঠন প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ অংশীদার হতে পারে;

ডেটা–নির্ভর সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা:

শ্রোতার প্রশ্ন, অনলাইন প্রতিক্রিয়া, ডাউনলোডের সংখ্যা, কন্টেন্টে অনুরাগ বা ড্রপ–অফ পয়েন্ট ইত্যাদি তথ্য বিশ্লেষণ করে অনুষ্ঠানসূচি ও বিষয়বস্তু নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা।

এই কৌশলগুলো গ্রহণ করলে কমিউনিটি রেডিও তার নাগাল, প্রাসঙ্গিকতা এবং সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা—তিনটিই সুদৃঢ় করতে পারবে, এবং একই সঙ্গে ডিজিটাল রূপান্তরের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজের সামাজিক ম্যান্ডেটকে আরও দৃঢ়ভাবে পালন করতে পারবে।

জনকল্যাণে উদ্ভাবন: প্রযুক্তি নয়, প্রভাবই মূল সূচক

কমিউনিটি গণমাধ্যমে উদ্ভাবনকে কেবল নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজন বা সাময়িকভাবে “ভাইরাল” হওয়ার প্রচেষ্টায় সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। উদ্ভাবনের মূল সূচক হওয়া উচিত—এটি কতটা কমিউনিটির বোঝাপড়া, অধিকার–দাবি ও সমষ্টিগত পদক্ষেপকে শক্তিশালী করছে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে:

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য যাচাই ও ব্যাখ্যার জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান বা “ফ্যাক্টচেক সেগমেন্ট” চালু করা;

নারী সংগঠন, কৃষক সংগঠন, যুব দল, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন বা অন্যান্য কমিউনিটি–ভিত্তিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে জলবায়ু পরিবর্তন, জনস্বাস্থ্য, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, টেকসই জীবিকাবিষয়ক সিরিজ অনুষ্ঠান তৈরি;

সহজে ব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল আর্কাইভ ও জ্ঞানভান্ডার তৈরি করা, যাতে সফল অনুষ্ঠানের ফরম্যাট, স্ক্রিপ্ট ও উপকরণ অন্যান্য কমিউনিটি রেডিও স্টেশনও প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজন ও পুনঃব্যবহার করতে পারে।

একই সঙ্গে স্টেশন পরিচালনার নীতি, আচরণবিধি, অভিযোগ গ্রহণ প্রক্রিয়া ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো অনলাইনে উন্মুক্ত করা এবং সেগুলো নিয়ে কমিউনিটির মতামত আহ্বান করাও উদ্ভাবনের অংশ, যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়ক।

ডিজিটাল পরিসরে নতুন ঝুঁকি: নিরাপত্তা ও মর্যাদা সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মসমূহ নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে। অনলাইনে মত প্রকাশকারী ব্যক্তি—বিশেষত নারী, কিশোরী, যৌন ও লিঙ্গ বৈচিত্র্যের মানুষ, মানবাধিকার রক্ষাকারী, সাংবাদিক ও কর্মীবৃন্দ—প্রায়শই হয়রানি, অপমান, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও অনলাইন সহিংসতার শিকার হতে পারেন। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা সংবেদনশীল তথ্য অনুমানের প্রত্যাশার বাইরে দ্রুত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্বশীল ডিজিটাল গ্রহণের জন্য কয়েকটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিতে হবে—

গোপনীয়তা, সম্মতি ও মর্যাদার সুরক্ষা:

সাক্ষাৎকার, ছবি, ভিডিও বা ব্যক্তিগত গল্প ব্যবহারের আগে স্পষ্ট ও অবহিত সম্মতি নিশ্চিত করা, এবং অনলাইন প্রচারের ঝুঁকি সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা;

ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সক্ষমতা উন্নয়ন:

স্টেশন–কর্মী, স্বেচ্ছাসেবী ও যুব প্রযোজকদের জন্য নিয়মিতভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা, পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা, অনলাইন হয়রানির প্রতিক্রিয়া এবং সহায়তা–সেবায় রেফার করার বিষয়ে প্রশিক্ষণ আয়োজন;

সুশীল সমাজ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্ব:

সিভিল সোসাইটি, নারী ও তরুণ সংগঠন, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এমন নীতি ও প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, যা কমিউনিটির কণ্ঠ, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সহায়ক হবে।

যৌথ ভবিষ্যৎ এজেন্ডা: যোগাযোগকে জনসম্পদ হিসেবে কল্পনা

আগামী দিনের দিকে তাকিয়ে আইনি স্বীকৃতি ও ডিজিটাল রূপান্তরকে একটি সমন্বিত ভবিষ্যৎ এজেন্ডায় একত্রিত করা জরুরি। এই দৃষ্টিতে কমিউনিটি–ভিত্তিক যোগাযোগকে একটি জনকল্যাণমূলক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়—যা সেই কমিউনিটিই গড়ে তোলে, পরিচালনা করে এবং যার জবাবদিহিতাও সেই কমিউনিটির প্রতিই।

এই প্রেক্ষাপটে—

আইন ও নীতিমালা এমন হওয়া প্রয়োজন, যা কমিউনিটি সম্প্রচারকদের ডিজিটাল উদ্ভাবনকে শুধু অনুমোদনই করবে না, বরং অর্থায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, স্পেকট্রাম ও ডেটায় ন্যায্য প্রবেশাধিকার এবং অবকাঠামোগত সহায়তার মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে উৎসাহিত করবে;

কমিউনিটি রেডিও স্টেশনগুলোও নিজেদের মিশন, ভিশন ও কৌশলগত পরিকল্পনার কেন্দ্রে ডিজিটাল গ্রহণ, উদ্ভাবন, লিঙ্গসমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণকে স্থায়ী উপাদান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করবে—কোনো অতিরিক্ত আনুষঙ্গিক সুবিধা হিসেবে নয়।

অ্যানালগ ও ডিজিটাল—উভয় পরিসরে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারলে, স্থানীয় বাস্তবতার গভীরে প্রোথিত থেকেও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কমিউনিটি গণমাধ্যম নিশ্চিত করতে পারবে যে, আইনি স্বীকৃতি কোনো সমাপ্তি নয়; বরং রূপান্তরমূলক নতুন এক যুগের দৃঢ় ভিত্তি।

এই ভবিষ্যতে কমিউনিটি শুধু নিজেদের ভাগ্য সম্পর্কে তথ্যই পাবে না; বরং নিজেদের কণ্ঠ, মূল্যবোধ ও অভিজ্ঞতার আলোকে সেই ভাগ্যের বর্ণনা ও বয়ানও নিজেরাই নির্মাণ করবে—তাদের নিজস্ব শর্তে, তাদের নিজস্ব ভাষায়।

এ এইচ এম বাজারুল রহমান

ডিজিটাল গণতন্ত্র অগ্রসরকরণ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক দূত








০ টি মন্তব্য



মতামত দিন

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার মতামতটি দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।







পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? পুনরায় রিসেট করুন






রিভিউ

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার রিভিউ দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।