ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ‘মিউজ গ্লিমার’ নামে নতুন একটি শক্তিশালী এআই মডেল উন্মুক্ত করেছে। ৩০ বিলিয়ন বা তিন হাজার কোটি প্যারামিটারের এই মডেলটি সরাসরি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে চালানো যাবে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের এআই এজেন্টও তৈরি করা সম্ভব হবে।
মিউজ গ্লিমারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি ব্যবহারের জন্য সবসময় ক্লাউড সার্ভারের ওপর নির্ভর করতে হবে না। বর্তমানে অধিকাংশ বড় এআই মডেলে ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরের ডেটা সেন্টারে পাঠিয়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। তবে মিউজ গ্লিমার কম্পিউটারেই অনেক কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। এতে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও কিছু নির্দিষ্ট কাজ করা সম্ভব হবে।
মেটার ভাষ্য অনুযায়ী, মিউজ গ্লিমারকে শুধু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়নি। এটি একটি ‘এজেন্টিক’ এআই মডেল, যা কোনো কাজ সম্পন্ন করার আগে একাধিক ধাপে পরিকল্পনা করতে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে। মডেলটি বিভিন্ন টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহার করার পাশাপাশি ছবি তৈরি, কোড লেখা এবং কোডের ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধনের মতো কাজও করতে পারে।
ডেভেলপারদের জন্যও মডেলটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। মিউজ গ্লিমারের সাহায্যে এমন এআই এজেন্ট তৈরি করা সম্ভব হবে, যা কম্পিউটারের ফাইল, প্রোগ্রামিং টুল এবং বিভিন্ন সফটওয়্যারের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে পারবে। ফলে দৈনন্দিন কম্পিউটারভিত্তিক অনেক কাজ ভবিষ্যতে এআইয়ের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় করার সুযোগ তৈরি হবে।
মডেলটি উন্মুক্ত করার বিষয়ে মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, মেটা ওপেন সোর্স প্রযুক্তির ব্যবহারকে সমর্থন করে। এ কারণে মিউজ গ্লিমার উন্মুক্ত করতে পেরে প্রতিষ্ঠানটি গর্বিত।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে



.png)
.png)
.png)
.png)




০ টি মন্তব্য