https://powerinai.com/

সাম্প্রতিক খবর

নিয়ন্ত্রণ নয়, দরকার বিশ্বাসযোগ্য তথ্যপ্রবাহ

নিয়ন্ত্রণ নয়, দরকার বিশ্বাসযোগ্য তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ নয়, দরকার বিশ্বাসযোগ্য তথ্যপ্রবাহ
 

ডিজিটাল যুগে তথ্য আর শুধু সংবাদমাধ্যমের বিষয় নয়, এটি এখন প্রযুক্তি, অধিকার, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের কেন্দ্রীয় প্রশ্ন। তাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পুরোনো কাঠামো ভেঙে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সংস্কার এখন সময়ের দাবি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য মন্ত্রণালয়ের পুরোনো কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অপতথ্য রোধ এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে বর্তমান ব্যবস্থা আর যথেষ্ট নয়, একে যুগোপযোগী করতে হবে। এই বক্তব্যকে নিছক প্রশাসনিক মন্তব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি বাংলাদেশের তথ্যব্যবস্থা, গণমাধ্যমনীতি এবং ডিজিটাল শাসনের চরিত্র নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ এনে দিয়েছে।

একসময় তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ ছিল তুলনামূলকভাবে সরল। সংবাদপত্র, বেতার, টেলিভিশন, সরকারি প্রচার এবং সম্প্রচার নীতিমালা ছিল এর মূল ক্ষেত্র। তথ্যের উৎস ছিল সীমিত, প্রবাহ ছিল ধীর, আর জনমত গঠনের প্রধান মাধ্যমও ছিল হাতে গোনা। কিন্তু ডিজিটাল যুগ সেই বাস্তবতাকে আমূল বদলে দিয়েছে। এখন একজন নাগরিক শুধু তথ্যের গ্রহীতা নন, তিনি একই সঙ্গে তথ্যের নির্মাতা, পরিবেশক এবং প্রভাবক। একটি ফেসবুক পোস্ট, একটি ইউটিউব ভিডিও, একটি টিকটক ক্লিপ কিংবা একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা কয়েক মিনিটের মধ্যেই লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে।

এই নতুন বাস্তবতায় তথ্যপ্রবাহ আর শুধু সংবাদমাধ্যমনির্ভর নয়, বরং ক্রমেই প্ল্যাটফর্মনির্ভর। এখানে অ্যালগরিদম নির্ধারণ করে কোন তথ্য বেশি ছড়াবে, কোনটি বেশি দেখা হবে, কোনটি মানুষের আবেগে নাড়া দেবে। ফলে দ্রুততা প্রায়ই নির্ভুলতাকে হার মানায়, উত্তেজনা অনেক সময় তথ্যকে ছাপিয়ে যায়, আর বিভ্রান্তি কখনো কখনো সত্যের চেয়েও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই পুরোনো আমলের প্রশাসনিক কাঠামো দিয়ে আজকের তথ্যবাস্তবতা সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।

বাংলাদেশও এই সংকট থেকে আলাদা নয়। নির্বাচন, ধর্মীয় সংবেদনশীলতা, সামাজিক উত্তেজনা, নারী ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, জনস্বাস্থ্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা সরকারি সিদ্ধান্ত, সবকিছু নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়াতে দেখা যায়। অনেক সময় পুরোনো ছবি নতুন ঘটনার নামে চালানো হয়, সম্পাদিত ভিডিওকে সত্য বলে প্রচার করা হয়, ভুয়া উদ্ধৃতি বা জাল নথি ব্যবহার করে মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়। এসব কেবল তথ্যগত ভুল নয়, অনেক সময় এগুলো সামাজিক অস্থিরতা, বিদ্বেষ, ভয় এবং অবিশ্বাসেরও উৎস হয়ে ওঠে।

এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রের ভূমিকা অবশ্যই আছে। কিন্তু সেই ভূমিকার প্রকৃতি কী হবে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অপতথ্য রোধের নামে যদি এমন এক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে ওঠে, যেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতা চাপে পড়ে, মতপ্রকাশের পরিসর সংকুচিত হয়, আর সমালোচনামূলক কণ্ঠস্বরকে সহজেই সন্দেহের চোখে দেখা হয়, তাহলে তাতে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং নতুন অবিশ্বাস তৈরি হবে। কারণ অপতথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই মূলত বিশ্বাসযোগ্যতার লড়াই। আর বিশ্বাসযোগ্যতা কখনো কেবল নিয়ন্ত্রণ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় না।

সুতরাং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কাঠামোগত সংস্কারের প্রথম শর্ত হওয়া উচিত একটি পরিষ্কার নীতিগত অবস্থান: অপতথ্য রোধ মানে তথ্যনিয়ন্ত্রণ নয়। বরং এর অর্থ হওয়া উচিত এমন একটি তথ্যপরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে নির্ভরযোগ্য তথ্য দ্রুত পৌঁছাবে, নাগরিক তথ্য যাচাইয়ের সক্ষমতা অর্জন করবে, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে, আর ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তিকর প্রচারণা স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতিতে মোকাবিলা করা হবে।

এখানে আরেকটি বড় বাস্তবতা বুঝতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয় এখনো অনেকাংশে অ্যানালগ যুগের মানসিকতা নিয়ে পরিচালিত হয়, অথচ তথ্যের জগৎ এখন ডিজিটাল, গতিশীল এবং সীমান্তছাড়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক তথ্যপ্রবাহ, বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানির প্রভাব, অ্যালগরিদমিক কনটেন্ট বাছাই, বট-চালিত প্রচারণা, মনোযোগ-অর্থনীতি, এসব বিষয় এখন তথ্যপরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে শুধু প্রচলিত সম্প্রচার আইন বা লাইসেন্সভিত্তিক তদারকি দিয়ে এই জগৎ বোঝা সম্ভব নয়। দরকার প্রযুক্তিবোদ্ধা, তথ্যবিশ্লেষণ-সক্ষম এবং গবেষণানির্ভর নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো।

এই কারণে তথ্য মন্ত্রণালয়ের আধুনিকায়ন বলতে কেবল প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস বোঝালে চলবে না। এর অর্থ হওয়া উচিত ডিজিটাল নীতি, প্ল্যাটফর্ম গভর্ন্যান্স, তথ্য যাচাই, মিডিয়া গবেষণা, নাগরিক যোগাযোগ, সংকটকালীন তথ্যব্যবস্থাপনা এবং ডেটা-সচেতন বিশ্লেষণের জন্য বিশেষায়িত ইউনিট গড়ে তোলা। তথ্য মন্ত্রণালয়কে শুধু নিয়ন্ত্রক হিসেবে নয়, বরং ডিজিটাল তথ্যপরিবেশের ন্যায়সংগত রক্ষক এবং জনবিশ্বাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভাবতে হবে।

অপতথ্য মোকাবিলায় আমাদের আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, আমরা প্রায়ই সমস্যাটিকে কেবল সরিয়ে দেওয়ার প্রশ্ন হিসেবে দেখি। যেন ভুয়া খবর মুছে ফেললেই সমস্যা শেষ। বাস্তবে তা নয়। একটি ভুল তথ্য কেন মানুষ বিশ্বাস করল, কেন তা দ্রুত ছড়াল, কেন নির্ভরযোগ্য তথ্য সময়মতো পৌঁছাল না, কেন মানুষ বিশ্বস্ত সূত্রের প্রতি আস্থা হারাল, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না খুঁজলে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান আসবে না। তাই প্রতিরোধমূলক পদ্ধতি জরুরি।

এখানেই মিডিয়া ও ইনফরমেশন লিটারেসি বা তথ্যসচেতনতা শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, স্থানীয় সরকার, কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম, নারী সংগঠন, তরুণ সমাজ, এমনকি প্রবীণ নাগরিকদেরও শেখাতে হবে কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয়, কীভাবে উৎস চিনতে হয়, কীভাবে অনলাইন গুজব শনাক্ত করতে হয়। একটি সচেতন নাগরিকসমাজ ছাড়া অপতথ্য মোকাবিলায় কোনো রাষ্ট্রই স্থায়ী সাফল্য পেতে পারে না। তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাঠামোগত আধুনিকায়নের আলোচনায় এই শিক্ষামূলক দিকটি কেন্দ্রীয় জায়গা পাওয়া উচিত।

তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। রাষ্ট্র চাইলে প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন দিতে পারে, কিন্তু সেই কাঠামো বিশ্বাসযোগ্য হবে তখনই, যখন সেটির পদ্ধতি হবে স্বচ্ছ, মানদণ্ড হবে প্রকাশ্য, তদারকি হবে বহুপক্ষীয়, এবং ভুল হলে সংশোধনের সুযোগ থাকবে। সরকার যদি নিজেই একমাত্র যাচাইকারী, বিচারক এবং সত্যের মালিক হয়ে দাঁড়ায়, তবে সেটি আর তথ্য যাচাই থাকবে না, সেটি প্রচারযন্ত্রে পরিণত হবে। তাই গণমাধ্যম, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ছাড়া এই কাঠামো শক্তিশালী হবে না।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নটিও এই সংস্কারের কেন্দ্রে থাকতে হবে। স্বাধীনতা ছাড়া সাংবাদিকতা টিকে না, আবার দায়বদ্ধতা ছাড়া সাংবাদিকতার ওপর আস্থাও গড়ে ওঠে না। ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার গতি বেড়েছে, প্রতিযোগিতা বেড়েছে, তাৎক্ষণিকতা বেড়েছে। একই সঙ্গে ভুল, অর্ধসত্য, ক্লিকনির্ভর শিরোনাম ও অসম্পূর্ণ যাচাইয়ের ঝুঁকিও বেড়েছে। ফলে আইন ও নীতিমালার আধুনিকায়ন প্রয়োজন বটে, কিন্তু সেই আধুনিকায়ন যেন অস্পষ্ট ও বিস্তৃত ভাষার ফাঁদে না পড়ে। কোনটি ইচ্ছাকৃত অপতথ্য, কোনটি পেশাগত ভুল, কোনটি মতামত, কোনটি সমালোচনা, আর কোনটি ক্ষতিকর বিদ্বেষমূলক প্রচারণা, সেই পার্থক্য স্পষ্ট না হলে আইন ন্যায়বিচারের বদলে অনিশ্চয়তার উৎস হয়ে দাঁড়াবে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সরকারি তথ্যপ্রবাহের বিশ্বাসযোগ্যতা। সংকট, গুজব, দুর্ঘটনা, সহিংসতা, জনস্বাস্থ্যঝুঁকি বা নীতিগত বিভ্রান্তির সময়ে যদি সরকারি তথ্য দেরিতে আসে, অস্পষ্ট আসে, বা অসম্পূর্ণ আসে, তবে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকবে। তখন গুজবই প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়াবে। তাই সরকারি তথ্যপ্রবাহকে হতে হবে দ্রুত, পরিষ্কার, বহু-প্ল্যাটফর্মভিত্তিক এবং প্রমাণসমর্থিত। শুধু প্রেস নোট বা আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং দিয়ে এখন আর মানুষের আস্থা অর্জন করা যাবে না। দরকার রিয়েল-টাইম আপডেট, খণ্ডন, ব্যাখ্যা, গ্রাফিক্স, ভিডিও এবং স্থানীয় ভাষাভিত্তিক যোগাযোগকৌশল।

ডিজিটাল যুগে তথ্যের প্রশ্নটি নাগরিক অধিকারের প্রশ্ন থেকেও আলাদা নয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, সাংবাদিকের উৎস সুরক্ষা, অনলাইন নিরাপত্তা, নারী ও শিশুর ডিজিটাল সুরক্ষা, অনলাইন হয়রানি, ডক্সিং, চরিত্রহনন, প্রযুক্তি-সহায়তাপ্রাপ্ত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, সবই এখন একটি বৃহত্তর তথ্যপরিবেশের অংশ। ফলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন কাঠামোতে এই বিষয়গুলোকে পার্শ্বপ্রসঙ্গ হিসেবে নয়, বরং মূল আলোচনার অংশ হিসেবেই দেখতে হবে।

বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগোচ্ছে। সরকারি সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংকিং, ব্যবসা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, সবখানেই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু প্রযুক্তির বিস্তার মানেই ন্যায়সংগত তথ্যপরিবেশ নয়। বরং দুর্বল নীতি, অসম ডিজিটাল সাক্ষরতা, এবং পুরোনো শাসন-মানসিকতা প্রযুক্তিকে নতুন বৈষম্যের উৎসেও পরিণত করতে পারে। সেই কারণে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কাঠামোগত সংস্কার কেবল একটি দপ্তরের সংস্কার নয়, এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ডিজিটাল সমাজের চরিত্র নির্ধারণের প্রশ্ন।

তাই মন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানানো যায়, তবে সরল উচ্ছ্বাসে নয়, সতর্ক প্রত্যাশা নিয়ে। এই সংস্কার যদি কেবল কিছু নতুন সেল, কিছু প্রশাসনিক সমন্বয়, কিংবা নাম বদলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তাতে খুব বেশি পরিবর্তন আসবে না। দরকার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। দরকার রাষ্ট্রকে তথ্যের একমাত্র নিয়ন্ত্রক হিসেবে নয়, বরং ন্যায়সংগত তথ্যপরিবেশের রক্ষক হিসেবে ভাবা। দরকার এমন একটি কাঠামো, যা যেমন অপতথ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর, তেমনি স্বাধীন সাংবাদিকতা, নাগরিক অধিকার এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহের পক্ষেও দৃঢ়।

ডিজিটাল যুগে তথ্য একটি কেন্দ্রীয় শক্তি। এটি ক্ষমতার উৎস, গণতন্ত্রের ভিত্তি, অর্থনীতির অবকাঠামো, সামাজিক স্থিতির শর্ত এবং নাগরিক অধিকারের বাহক। তাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের পুরোনো খোলস ভাঙা এখন বিলাসিতা নয়, জরুরি প্রয়োজন। কিন্তু সেই ভাঙন যেন আরেকটি কঠোর প্রাচীর না তোলে। বরং এমন একটি দরজা খুলে দিক, যেখানে সত্য হবে শক্তিশালী, গণমাধ্যম হবে স্বাধীন, নাগরিক হবে সচেতন, আর রাষ্ট্র হবে বিশ্বাসযোগ্য।                                                        

লেখক পরিচিতি : এ এইচ এম. বজলুর রহমান, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, ইনফরমেশন ইন্টেগ্রিটি ও ডিজিটাল গণতন্ত্রবিষয়ক নীতি-পরামর্শক, বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর | [email protected] | +8801711881647








০ টি মন্তব্য



মতামত দিন

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার মতামতটি দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।







পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? পুনরায় রিসেট করুন






রিভিউ

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার রিভিউ দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।